মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা ছিল, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অপতথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কাজ করত। কিন্তু সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন এই সংস্থাটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, এখন থেকে এই ধরনের সংস্থার আর কোনো প্রয়োজন নেই।
মার্কো রুবিও অভিযোগ করেছেন, এই সংস্থা মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছিল। তার মতে, সাধারণ মতামত প্রকাশ করা যেন অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, এবং আমেরিকার প্রশ্নের মুখে পড়তে হতো, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে জেলে যাওয়ারও ভয় ছিল। এই কারণে সংস্থাটি বন্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা এই সংস্থা মূলত রাশিয়া ও চীন সম্পর্কিত অপতথ্য খুঁজে বের করার এবং জনসাধারণকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মতে, এখন এ ধরনের সংস্থার আর কোনো প্রয়োজন নেই।
রিপাবলিকানদের মতে, এই সংস্থা বারবার রক্ষণশীল মিডিয়ার খবরকে আক্রমণ করেছে। তাদের অভিযোগ, এই সংস্থা সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাঁধা দিয়েছে এবং সরকারের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক জেমস বোসবার্গ জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসকে একটি নোটিস পাঠানো হতে পারে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে, বিচারক ৪০ পাতার একটি রায় দিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসকে আদালতে এসে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের কৃতকর্মের কারণ জানাতে হবে। যদি হোয়াইট হাউস এটি না করে, তাহলে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করা হবে।
এবার মার্কিন প্রশাসন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ছাড়ের সুবিধা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সিএনএন এবং ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস বিভাগকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা করা হয়নি।
আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৫০১ (সি)(৩) ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা পায়, কিন্তু হার্ভার্ডের কাছ থেকে এই সুবিধা কেড়ে নেওয়া হতে পারে। এর আগে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তার ফান্ড বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিল এবং জানিয়েছিল, প্রশাসন যতই চাপ দিক, তারা একাডেমিক বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ হতে দেবে না।
তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ
জিও নিউজ ২৪ ঘণ্টা বাংলার খবর